Sunday , March 29 2020
Home / খেলাধুলা / ম্যারাডোনার দলের সঙ্গে মেসির দলের কী আশ্চর্য মিল!

ম্যারাডোনার দলের সঙ্গে মেসির দলের কী আশ্চর্য মিল!

অনলাইন ডেস্কঃ আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্মারকচিহ্ন রয়েছে দুটি। প্রথমটি ১৯৭৮, দ্বিতীয়টি ১৯৮৬। প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সময় আর্জেন্টিনা সামরিক শাসকের নিয়ন্ত্রণে। পরেরটা আরও একজন ‘একনায়কে’র সময়। তিনি আর কেউ নন— ম্যারাডোনা।

তবে ম্যারাডোনার জাদুকরি নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ জয়ের আগে বাছাইপর্বে কিন্তু বেশ নড়বড়ে অবস্থায় ছিল আর্জেন্টিনা। অনেকটা এবারের মেসির দলের মতো। অথচ অনিশ্চয়তার মধ্যে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়ে শেষ পর্যন্ত কাপটাই জিতে নিয়েছিল ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা।এরপর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছে আর্জেন্টিনা। প্রথমবার ১৯৯০; পরেরবার খুব বেশি দিন আগে নয়—সর্বশেষ বিশ্বকাপে, ২০১৪-তে। দুটি উপলক্ষই ছিল আর্জেন্টাইনদের জন্য চরম হতাশার।

লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে আর্জেন্টিনা। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বিশ্বকাপে ওঠা মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৯৮৬ বিশ্বকাপকে। আর বিশ্বকাপ এলেই তো ম্যারাডোনার সঙ্গে মেসির তুলনা হয়। ছিয়াশির প্রসঙ্গ তুলে কিন্তু আবারও শুরু হয়ে গেছে দুটি সময়ের মিল খুঁজে নেওয়ার।

ছিয়াশি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে রিকার্ডো গারেকার (বর্তমানে পেরুর কোচ) গোলে প্লে অফ এড়িয়েছিল আর্জেন্টিনা। সে সময় কোচ কার্লোস বিলার্দোকে সইতে হয়েছিল এন্তার সমালোচনা। এবারও একই অবস্থা প্রায়। এডগার্ডো বাউজা তো চাকরিই হারিয়েছেন। নতুন কোচ হোর্হে সাম্পাওলিকেও ছেড়ে দেয়নি আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম।

ম্যারাডোনারও মুণ্ডুপাত হয়েছিল সেবার। তাঁকে কেন অধিনায়কত্ব দেওয়া হলো, এ নিয়ে বিলার্দোকে অভিযোগের তিরে বিঁধেছিলেন সবাই। সবাই অধিনায়ক হিসেবে চেয়েছিল ১৯৭৮ সালে বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ড্যানিয়েল প্যাসারেলাকে। প্যাসারেলা দলে থাকলেও বিলার্দো তাঁকে খুব নিয়মিত খেলাতেন না। প্যাসারেলা ১৯৭৮ বিশ্বকাপের পর ১৯৮২-তেও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ছিলেন। বিলার্দো ম্যারাডোনার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন ঠিক এইভাবে, ‘ডিয়েগো হলো অনেকটা পেলের মতো, এমন খেলোয়াড় ২০ বছরে একজন আসে।’ পেরুর বিপক্ষে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচেও গ্যালারিতে ‘প্যাসারেলা’ ‘প্যাসারেলা’ স্লোগান উঠেছিল।

এই বাছাইপর্বেও একই দাবি শোনা গেছে। ২০১৬ সালের পুরো সময়টাতেই হাভিয়ের মাচেরানকে অধিনায়ক করার জোর গুঞ্জন ছিল।

এক বছরের মধ্যেই বিশ্বকাপ জিতিয়ে সব গুঞ্জন, সমালোচনার জবাব দেন ম্যারাডোনা। পরিণত হন আর্জেন্টাইন ফুটবলের সবচেয়ে বড় নায়কে। আর এক বছর পরই রাশিয়া বিশ্বকাপ, ম্যারাডোনার দেখানো পথেই হাঁটলে মেসি হয়তো ছাপিয়ে যাবেন পূর্বসূরিকেও। সূত্র- মার্কা

টপারবিডি-বাংলা ম ৫৫০

Check Also

তামিমের অনন্য অর্জন একই দিনে দুটি রেকর্ড!!

অনলাইন ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রেকর্ডের বরপুত্র বলা হতো ক্যারিবিয়ান গ্রেট ব্রায়ান লারাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই …