Monday , April 6 2020
Home / অন্যান্য / শীত আসছে, শীত আনন্দ উপভোগ করতে যে সব জায়গা বেড়াতে যেতে পারেন

শীত আসছে, শীত আনন্দ উপভোগ করতে যে সব জায়গা বেড়াতে যেতে পারেন

শীত আনন্দ উপভোগের এক ঋতুর নাম। শীতকাল আমাদের দেশের একটি সুন্দর ঋতু। শীত চলে আসছে কিন্তু আপনি হয়তো কিভাবে এই শীতকাল আনন্দময় করে তোলবেন সেটাই বুঝতে পারছেন না। শীতকালের আনন্দ উপভোগের পরিকল্পনাকে আরও মনোমুগ্ধকর করতে বাংলাদেশের সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলো ঘুরে আসতে পারেন শীতকালে আমাদের দেশে ভ্রমণের অনেক স্থান রয়েছে। যা বিদেশের চেয়ে অধিক মনোমুগ্ধকর। আসুন জেনে নেই তেমন কিছু স্থানের নাম-

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে শীতকালে বেড়ানো খুবই মজা। এছাড়াও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত কিংবা সুন্দরবনে বেড়াতে যাওয়া জন্য শীতকাল হচ্ছে একটি মোক্ষম সময়। বগুড়ার মাহস্থানগড়ে শীতের সকাল দেখার মজাই অন্যরকম। সিলেটের জাফলং, তামাবিল, মাধবকুন্ড এসব জায়গায় চাইলে বেড়াতে যেতে পারেন। পার্বত্য চট্রগ্রামের বান্দরবান বা রাঙামাটি বেড়ানোর জন্যে সুন্দর সময় এই শীতকাল। বাংলাদেশের আবহাওয়ার শীতকালে এসব জায়গায় ঘুরতে যাওয়া সুন্দরতম সময়।

কক্সবাজার:

শীতের ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্য পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের তুলনা হয় না। সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। কক্সবাজার গেলে সকাল-বিকাল সমুদ্রতীরে বেড়াতে মন চাইবে। আর রয়েছে নীল জলরাশির গর্জন। মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরী, সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়। এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে মাতা মুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কুহেলিয়া ও নাফ নদী। পর্যটন, বনজসম্পদ, মৎস্য, শুঁটকি, শামুক, ঝিনুক ও সিলিকাসমৃদ্ধ বালুর জন্য কক্সবাজারের অবস্থান তাই ভ্রমণবিলাসী পর্যটকদের কাছে সবার শীর্ষে।

এখানে গিয়ে বেড়াতে পারেন হিমছড়ি ও ইনানী বিচে। কক্সবাজারের ১২ থেকে ২২ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে রয়েছে এ দুটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান।

সুন্দরবন:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বিশ্বের ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) সুন্দরবন। এখানকার সব কিছুই বিস্ময়ে ভরা। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি খুলনা শহরে এসে হোটেলে অবস্থান করে পছন্দের ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সুন্দরবন যাত্রা করা যায়। আবার হোটেলে না উঠে সরাসরি ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও নির্ধারিত সময়ে জাহাজে চড়ে সুন্দরবন ভ্রমণ করা যায়।

রাঙামাটি:

সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙামাটি। পাহাড়ের বুকে সূর্যালোক, ভরা পূর্ণিমা রাতে হ্রদের পানিতে মৃদু ঢেউয়ের ওপর জোছনার ঝলকানি আর গিরি নির্ঝর ঝরনার রূপমাধুরী দেখেনি যে, সে যেন অপরূপ পাহাড়ি অরণ্যের জনপদ রাঙামাটি দেখেনি। এলোমেলো সারিতে সাজানো উঁচু-নিচু ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়ের সমাবেশ। এসব নিয়েই পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটি। যেদিকেই তাকাবেন যেন শৈল্পিক অাঁকা দৃশ্য। অাঁকাবাঁকা কাপ্তাই লেক। চারদিকেই স্বচ্ছ জলধারা। কাপ্তাই লেক মিশেছে প্রকৃতির সঙ্গে অপরূপ সাজে। প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রতিনিয়তই যেন কাছে টানছে কাপ্তাই লেকের স্বচ্ছ জলধারা। এমন পাগল করা প্রকৃতির অদ্ভুদ সৌন্দর্যের অাঁধারে মিলিয়ে যেতে কার না মন চায়।

নীলগিরি:

বাংলাদেশের ভূ-স্বর্গ পার্বত্য জেলা বান্দরবান। মেঘ-পাহাড়ের খেলা দেখার পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ায় মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা পূরণ করতে চাইলে যেতে হবে বান্দরবানের নীলগিরিতে। বান্দরবান শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বান্দরবান-থানছি পথ ধরে যেতে হবে নীলগিরি।

জাফলং,সিলেটঃ

ভ্রমণের জন্য এ সময় বেশ উপযুক্ত। কর্মব্যস্ত জীবনে একটু অবসর পেলেই ঘুরে আসতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থান। এ ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন পাথরের স্বর্গ খ্যাত জাফলংকে।

চালন্দা গিরিপথঃ

প্রকৃতি এখানে উদার ও মায়াময়। বন-পাহাড়ের সেই মায়াবী ডাক কিংবা ঝরনার হাতছানি এড়াতে পারে না কেউ। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডভেঞ্চার খ্যাত ‘চালন্দা গিরিপথ’।

খাগড়াছড়িঃ

নৈগর্সিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি ভ্রমণ করতে পারেন এই শীতে। সঙ্গে সাজেক ভ্যালি, কংলাকপাড়া, দীঘিনালা বনবিহার, রিছাং ঝরনা, আলুটিলা রহস্যময়গুহা, সাকংসস নগর বৌদ্ধমন্দির, ঝুলন্ত ব্রিজসহ আরো কিছু স্থান ভ্রমণ করতে পারেন।

কুয়াকাটাঃ

শীতে সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য আরামদায়ক। সমুদ্রস্নানের উপযুক্ত সময়। এছাড়া কাঁকড়া দ্বীপ, গঙ্গারচর, রাখাইনপাড়া, বুদ্ধমূর্তি এবং শুটকি পল্লি দেখে আসতে পারেন। 

টপারবিডি বাংলা ৭৭ম

Check Also

বাদাম বিক্রি করে বোনকে অফিসার বানাতে চাই

অনলাইন ডেস্কঃ যে বয়সে স্কুলে থাকার কথা। সেই বয়সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি  পেরিয়েই সংসারের হাল …