Monday , October 18 2021
Home / আজকের খবর / শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে!

শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে!

অনলাইন ডেস্কঃ টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলসহ খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

এছাড়াও, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পাশাপাশি সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়েছে।

আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮১শতাংশ।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গার আজ শনিবার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

গত ৪ দিন ধরে হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বুধবার বিকাল থেকে পারদের তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৬.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে ৭ হাজার কম্বল।

হঠাৎ করে তীব্র থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে জেলার কয়েক লাখ মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। গরীবেরা রাস্তার ধারে খড়-কুটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়েছে গোটা এলাকা। ফলে জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতে পশু পাখি যবুথুবু হয়ে পড়েছে। চাহিদা থাকায় গরম কাপড়ের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে গেছে।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে সৈয়দপুরে মানুষের জীবনযাত্রা জুবুথুবু

মো: জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

মুদু শৈত্য প্রবাহে ও কনকনে হিমেল বাতাসে নীলফামারীর সৈয়দপুরে শীত জেগে বসেছে। এর প্রভাবে বিমান, ট্রেন ও বাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।

গত ক’দিন ধরেই হিমেল বাতাসে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা জুবুথবু হয়ে পড়েছে। গোটা উপজেলায় দেখা দিয়েছে শীতজনিত রোগবালাই।

দিনে সূর্য না উঠায় শীতের প্রকোপ কমছে না। সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকছে গোটা জনপদ। গরম কাপড়ের অভাবে শীতে কষ্ট ভোগ করছে দুস্থ ও অভাবী কর্মজীবী মানুষ। দিনমজুর মানুষ কাজ করতে না পারায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। শীতের দাপটে সন্ধ্যায় পর হাট-বাজারসহ শহরের কর্মচঞ্চল্য এলাকায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে। গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন নিম্নবিত্তরা।

শীতের সাথে কনকনে বাতাসের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হচ্ছে না। শীতের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থাকছে ক্রেতাশূন্য। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনকে সড়ক পথে চলাচল করতে হচ্ছে।

মাইক্রোচালক জিয়াউল হক জিয়া বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামলেই আতঙ্কেও মধ্যে পথ চলতে হচ্ছে। গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়েও সামনের দশ গজ দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানায়, সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল এটি।

 

টপারবিডি বাংলা-৭৭ম ১৮৫০০

আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন গ্রুপে যোগ দিন

Check Also

ফারমার্স ব্যাংক আমানত ফেরত দিতে পারছে না

অনলাইন ডেস্কঃ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তারল্য-সংকটের কারণে বর্তমানে ফারমার্স ব্যাংক গ্রাহকদের আমানত …